পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অধ্যাস

        জি কু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শনশাস্ত্রে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ।দর্শন যখন বিষয় তখন সে অধিক পড়াশোনায় বিশ্বাসী ছিল না।  পাঠের চাইতে দর্শনই ঢের ভাল , তাই সে দেখেই পছন্দ করে। তারএকটি বিশেষ গুণ বা ব্রত ছিল তা হল পুরনো নোট সরবরাহ করে ছাত্রী সেবা করা। এই কাজে যদি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার থাকতো এখানে সে প্রথম স্থান লাভ করত এ ব্যাপারে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল বইগুলো বেশিরভাগই ইংরেজিতে লেখা, গর্ভবতী বইগুলোর খুঁটে খুঁটে তত্ত্ব খালাস করা চাট্টিখানি ধৈর্যের কথা না ।বিভিন্ন ধরনের নোট বিলিবণ্টন দরুন মহিলাঙ্গন জিকুর সুনাম সুখ্যাতি গড়ে উঠেছিল। সকাল সকাল ফুলকো পারাটার সাথে ডিম ভাজি যোগে নাস্তার কাজ  সেরে কোনরকম পায়ে জুতা গলিয়ে সে বেরিয়ে পড়ে ক্যাম্পাসে। নোটের পাজা বগলদাবা করে কখনো সে বসে থাকে প্যারিস রোড এর কোন শিরিষ গাছের তলে অথবা লাইব্রেরীর কোনায়।দিনের-পর-দিন ছাত্রী সেবার এই জনকল্যাণমূলক কাজ চালিয়ে যাওয়ার কোন এক ফাঁকে নাজমা নামক অতিশয় সুশ্রী এক ছাত্রীর সাথে পরিচয় ঘটে গেল তার। খাটো গড়নের এই মেয়েটি তার চোখে পড়ল মনে ধরল। উন্নত ধ...

কাঁঠালের আমসত্ত্ব

  মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান। +++++++++++++++++++++++++++++++++ জনাব মোঃ নওয়াজিশ আলী , তিনি অতি সুন্দরী রমণীদের প্রতি বিশেষ  বিদ্বেষ পোষণ করেন জনাব আলী চৌধুরীরএই নারীবিদ্বেষ এর পিছনে একটা ছোট মজার কাহিনী রয়েছে পাঠকের অবগতির জন্য তা নিম্নে বর্ণিত হলোঃ   সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপা আর পরীক্ষার হলের আসন বিন্যাস কারী কর্তৃপক্ষের বিন্যাসিত আসন ব্যবস্থায় পার্শ্ববর্তী মেধাবী ছাত্রদের সহযোগিতা ও বিশেষ   সোহবতে   নওয়াজিশ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় একটা বাঘরেসে  ঢাউস ফলাফল অর্জনে সফল হল।উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সফলতার সিকে ছিড়তে পারার গর্বে তার বাবা মায়ের মুখে হাসি ফুটল গ্রামবাসী জানালো বাহবা ধ্বনি সতীর্থ বন্ধুদের মুখে উচ্ছ্বাস দেখা দিল যদিও কারো কারো অন্তর পুড়ে হলো খাক অগ্নিকাণ্ডের পরবর্তী   ছায়ভস্মের মত।   উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উৎকৃষ্ট ফলাফল অর্জন করা এবং ভালো কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো বিষয়ে নিজের নাম লিখে নিতে পারাটা কিন্তু এক জিনিস নয় ভুক্তভোগী মাত্রই এটা উপলব্ধি করে থাকবেন।   মনে করুন উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফলাফল অর্জন করা যদি তাজিংডং পর্বতের...

গৃহগোধিকা

ছবি
মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান।   +++++++++++++++  বিশেষ কৃতিত্বের সাথে এমএ পাস জুটলেও বছর সাতেক অশেষ পেরেশান ও হন্যে হয়ে খুঁজেও  চাকরি নামক রত্ন পাথরের সন্ধান মিলল না । কাহাতক বাপের ভোজনালযয়ের অন্ন ধ্বংস করা যায়?এসব বিস্তর ভেবেচিন্তে ইদ্রিস আলী অনন্যপায় হয়ে ভুঁইফোড় হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার বনে গেলেন। অশেষ মহাকাশের যেমন   মূড়োমাথা থাকে না তেমনি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের    মূড়োমাথা খুঁজে না পেয়ে মাত্র গোটা কতকদিন     মেটেরিয়া মেডিকায় চোখ বুলিয়ে হাতামাতা না জেনে লেজের দিক থেকে শুরুকরে রীতিসিদ্ধ লোকমান্য ডাক্তার    মহাশয় এর তকমা অর্জন করে বসলেন।দুই বছরেই ইদ্রিস আলীর    রবরবা পড়ে গেল বিশগ্রামে। সে সুবাদে বান্ডিল বান্ডিল    অর্থ  কুণ্ডলী পাকালো তার ক্যাশ বাক্সে।সলিমুদ্দিন নামে আইএ পাশ  মাছি মারা কেরানি গোছের কম্পাউন্ড হিসেবে তার চেম্বার জুটে গেল পাশের গাঁয়ের এক ছোকরা। বছর দুই যেতে না যেতেই না যেতেই ইদ্রিস আলী  পুরাদস্তুর রূপান্তরিত হলেন ডাক্তার  ইআলী ন...

ওম তৎ সৎ

ছবি
মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান।  +++++++++++++++++++++++++++++++++ আ বু আব্দুল্লাহ গ্রামের প্রাইমারি স্কুলের হেডমাস্টার। প্রতি তিন বছর পর যখন অবকাশকালীন ছুটি ভোগের সংবাদসহ অর্থাগম হয় তখন বাড়ির একমাত্র বউ কোথাও একটা বেরিয়ে পড়ার বায়না ধরে কিন্তু তাতে পন্ডিত মশাই এর মন টলেনা, চিত্তবিনোদনের খায়েশটা তার একান্ত মনের মধ্যেই পুষে রাখতে হয় । বিনোদন ভাতা প্রাপ্তির খবরে হেডমাস্টারের বউবেচারা  নানা প্রকার ফন্দিফিকির আটে কিন্ত তা শেষঅবধি  ফলপ্রসূ হয় না।এবার হেডমাস্টারের আঠারো বছর বয়সের মেয়েটির সবশেষে অনুরোধ ও মহান রব্বুল আলামীনের অশেষ কৃপায় প্রথমবার নিজ জেলার বাইরে বেড়াতে যাওয়ার মওকা পেল সে বা তার । সেই সাইত্রিশ বছর বয়াস্কা স্ত্রী আঠারো বছরের কন্যাসহ আব্দুল্লাহ যখন রাঙ্গামাটির সাজেক ভ্যালির উদ্দেশ্যে বের হতে পারলেন তখন এ-ই স্কুলশিক্ষকের বয়স পঞ্চাশের গণ্ডি পেরুতে  অবকাশ পেয়েছে। মাস্টারের বউয়ের চেহারা শান্তি মাশাল্লাহ খুব সুরাত, সময়দেব অশেষ কৃপাবশত    মাস্টারমশাইয়ের বউয়ের উপর খুব বেশি ওজনের হাতুড়ি চালায় নি তাই তার শরীরের গড়ন বলতে গেলে এখনো চারকোণা ...